পেঁয়াজ সংরক্ষণে উদ্যোগ জামালপুরে, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের দাবি কৃষকের

জামালপুরে পেঁয়াজ সংরক্ষণ উদ্যোগের পাশাপাশি কৃষকের ন্যায্যমূল্য ও টেকসই বাজারব্যবস্থা নিশ্চিত করাও জরুরি।

পেঁয়াজ সংরক্ষণে উদ্যোগ জামালপুরে, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের দাবি কৃষকের

ঊর্মি বাংলা | জামালপুর

পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি ফসল সংরক্ষণ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা জামালপুরের কৃষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, বাজারদরের অনিশ্চয়তা এবং সংরক্ষণের সীমাবদ্ধতা মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ২০২৬ সালের ৬ এপ্রিলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জামালপুরে পেঁয়াজ সংরক্ষণে ২০ জন কৃষককে এয়ার ফ্লো মেশিন ও গুদাম উন্নয়নের জন্য ২৮ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়ার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগের লক্ষ্য পেঁয়াজের সংরক্ষণব্যবস্থা উন্নত করা এবং কৃষকদের ফসল দীর্ঘ সময় ভালো রাখার সুযোগ তৈরি করা। তবে সংরক্ষণ সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকের উৎপাদন খরচ ও বাজারদরের মধ্যে সামঞ্জস্য আনা জরুরি। পেঁয়াজের সরবরাহ বেশি হলে মৌসুমে দাম কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তখন উৎপাদন খরচ তুলতে না পেরে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন কৃষকেরা।

কৃষি সংশ্লিষ্টদের জন্য এখন গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো পেঁয়াজের উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিপণনব্যবস্থাকে সমন্বিত করা। কৃষকের কাছে সংরক্ষণ প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া, বাজারদরের নিয়মিত তথ্য সরবরাহ, কৃষক-ব্যবসায়ী সংযোগ বৃদ্ধি এবং ফসল তোলার পর অপচয় কমানোর উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে। পেঁয়াজ উৎপাদনের সাফল্য শুধু ফলনের পরিমাণে নয়, কৃষক কতটা ন্যায্য দাম পেলেন—তার ওপরও নির্ভর করে। তাই জামালপুরে পেঁয়াজ সংরক্ষণ উদ্যোগের পাশাপাশি কৃষকের ন্যায্যমূল্য ও টেকসই বাজারব্যবস্থা নিশ্চিত করাও জরুরি।